Phone: +88 01712147261

7 Mobile SEO Tips You Need Right Now / ৭টি মোবাইল এসইও টিপস যা জানা আপনার জন্য অতিজরুরী

Latest News and Blog on Website Design and Bangladesh.

7 Mobile SEO Tips You Need Right Now / ৭টি মোবাইল এসইও টিপস যা জানা আপনার জন্য অতিজরুরী

অধিকাংশ সার্চ এখন মোবাইল ফোনের মাধ্যমে হয়ে থাকে তাই মোবাইল ফোন- এসইও অতিজরুরী বর্তমান সময়ে। এখানে ৭ টি এস ই ও টিপস নিয়ে আলোচনা করা হলো যা আপনাকে মোবাইল এস ই ও করতে সহায়তা করবে।
**শতকরা ৫২% সার্চ ইন্টারনেটে করা হয় মোবাইলের মাধ্যমে।
**আজকাল অনলাইন মার্কেটিং গুলোও করা হয় মোবাইল ব্যাবহারকারীদের কথা চিন্তা করে।
**সারা বিশ্বের মানুষজন আজকাল বিশ্বের যেকোনো জায়গা থেকে যেকোনো মোবাইল ডিভাইস থেকে সার্চের মাধ্যমে তার কাঙ্খিত ওয়েবসাইট খুঁজে পায়।
**এর অর্থ হ’ল যদি আপনার ওয়েবসাইটটি মোবাইল ব্যবহারের জন্য অপটিমাইজড না থাকে তবে আপনি আপনার কাঙ্খিত লক্ষ্যে পৌঁছেতে পারবেন না বা অপি আপের গ্রাহক হারাবেন।
**একটি নন-অপ্টিমাইজড মোবাইল সাইট সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং এও পিছিয়ে যাবে।
ভালো খবর হলো সাইট অপ্টিমাইজ করা খুব সহজ।

১. আপনার সাইটটি কতটা মোবাইল ফ্রেন্ডলি তা নির্ধারণ করুন:

মোবাইল এস ই ও এর উপর সিদ্ধান্ত নেয়ার আগে চিন্তা করতে হবে আপনি কোন অবস্থায় আছেন । গুগলের একটি বিনামূল্যের টুলস আছে যা দিয়ে
আপনি আপনার সাইট টি কতটা ব্যাবহার উপযোগী তা দেখতে পারবেন। এই টুলস দিয়া মোবাইলের সবরকম বিষয়ের উপর পরীক্ষা করা যায়। তারসাথে এগুলোও :
ক. প্লাগিনের ব্যবহার,
খ. ভিউপোর্ট উইড্থ,
গ. কন্টেন্টের আকার,
ঘ. ফ্লাশের ব্যবহার,
চ. ফন্ট সাইজ,
ছ.পেইজের বিভিন্ন বিষয় গুলোর অবস্থান ঠিক করা
রিপোর্ট পাওয়ার পরে হয়তোবা আপনার পরবতী করণীয় কি তা ঠিক করতে হবে। হয়তো আপনাকে আপনার ওয়েবসাইট আবার রিডিজাইন করতে হতে পারে রেস্পনসিভের কারণে।
হয়তো আপনার কনটেন্ট অপটিমাইজড ও কিছু প্লাগিন ব্যাড দিতে হতে পারে।

২. রেস্পন্সিভ ডিজাইন ব্যবহার করতে হবে:

মোবাইল এস ই ও এর প্রধানতম কৌশল হলো রেস্পন্সিভ ওয়েবসাইট ডিজাইন করা। এই ডিজাইন পদ্ধতি ব্যবহারকারীর প্ল্যাটফর্ম, স্ক্রিনের আকার এবং নির্দেশনা দেয়।
এর কারণে, আপনার ওয়েবসাইট টি বৃহত সংখ্যক ব্যবহারকারীর কাছে লোড হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়।
তবে কেন কেবল সমস্ত মোবাইল ব্যবহারকারীদের জন্য একটি মোবাইল সাইট তৈরি করবেন না?
একটি মোবাইল সাইট এর সবচে বড় সমস্যা হলো আর আকার প্রতিনিয়ত পরিবর্তন হয়। প্রতি বছর নতুন নতুন মোবাইল ফোন এবং ট্যাবলেট প্রকাশিত হওয়ায়, কয়েক ডজন স্ক্রিন আকার এর সাথে তাল মিলিয়ে কাজ করা বেশ কষ্টসাদ্ধ হয়ে পরে ।
রেস্পন্সিভ ডিজাইন সকল মোবাইল ব্যাবহারকারীকে তার মোবাইল ব্যাবহারে সেরা অভিজ্ঞতা প্রদান করে।

৩. সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে:

মোবাইল ডিভাইসে সোশ্যাল মিডিয়ার ব্যবহার প্রতিনিয়ত বেড়ে করেছে। এটা সত্যি যে ৮০% শতাংশের মতো সময় মোবাইল ব্যাবহারকারী মোবাইলের মাধ্যমে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার করতে ব্যায় করে।
আপনি যদি আপনার কোম্পানির উন্নতি বাড়াতে চান, তবে অবশ্যই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপনার অবস্থান জোড়ালো হওয়া অতি জরুরি।
মোবাইল এসইও কৌশলটি আপনাকে বিদ্যমান গ্রাহকদের টার্গেট করার সময় সম্ভাব্য গ্রাহকদের ও খুঁজে পেতে সাহায্য করে। কোম্পানি তথ্য এবং যে কোনো আপডেট গুলি শেয়ার করতে ফেসবুক ব্যবহার করুন। টুইটার হ্যাশট্যাগ প্রতিযোগিতা রাখার জন্য আদর্শ জায়গা।
মূল বিষয়টি হ’ল জড়িত থাকা এবং জড়িত করা। কথোপকথন এবং প্রচারে জড়িত থাকা আপনার কোম্পানির নাম কে প্রাসঙ্গিক রাখে।

 

৪. পেইজ লোডিং সময়ের উপর বিশেষ নজর দিতে হবে:

মোবাইল ব্রাউজারগুলির জন্য স্লো ওয়েবসাইটের চেয়ে খারাপ আর কিছুই নেই। আসলে, মোবাইল ব্যবহারকারীরা ওয়েবসাইটের পেইজ ৩ সেকেন্ড বা তারও কম সময়ের মধ্যে লোড হওয়ার প্রত্যাশা করে।
৩ সেকেন্ড পরে, ৫৩% ব্যবহারকারীরা পেইজ থেকে বের হয়ে যেতে বাধ্য হয়। স্লো পেজ লোডিং আপনার কাঙ্খিত গ্রাহক ও লক্ষ্যে
পৌঁছেতে বাধা হয়ে দাঁড়ায়। সুতরাং আপনি কি ভাবে মোবাইল ওয়েবসাইটের স্পিড বাড়াবেন?
**অব্যবহৃত স্ক্রিপ্ট সরানো
**এইচ টি টি পি রিকোয়েস্ট গুলো ছোট করা
**সংক্ষিপ্ত ফাইল ব্যবহার করা
**ব্রাউজারের ক্যাচিং ব্যবহার করা
**ছবি অপ্টিমাইজ করা
পেইজ লোড টাইম আপনার ওয়েবসাইটের সাফল্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়।

৫. লোকাল সার্চের উপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে হবে:

লোকাল এসইও হ’ল মোবাইল অপ্টিমাইজেশনের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। মোবাইল ব্যবহারকারীরা প্রায়শই তাদের স্থানীয় এলাকায় পণ্য এবং সার্ভিস অনুসন্ধান করেন।
এর অর্থ হল যে আপনার ওয়েবসাইট টি স্থানীয় এলাকার অনুসন্ধানের জন্য অপটিমাইজড করা দরকার।
এটি করার অন্যতম সহজ উপায় হল আপনার বিষয়বস্তুতে আপনার স্থানীয় এলাকা এবং শহরের নাম অন্তর্ভুক্ত করা। এগুলোর সাথে মেটা ডেসক্রিপশন , টাইটেল ট্যাগ এবং এইচ ১টাইটেল অন্তর্ভুক্ত করতে হবে।

৬. মোবাইল কীওয়ার্ড সার্চের জন্য অপ্টিমাইজ করতে হবে:

আপনার যদি ইতিমধ্যে কোনও কনটেন্ট যেমন কোনও কোম্পানি ব্লগ থাকে, তবে আপনি কীওয়ার্ড অপ্টিমাইজেশনের গুরুত্ব সম্পর্কে বুজতে পারবেন।
তবে, মোবাইল কীওয়ার্ড অপটিমাইজেশন কিছুটা আলাদা। টেক্সট-ভিত্তিক ইন্টারনেট অনুসন্ধান এখন একটু পুরোনো ধারার হয়ে গেছে।
এর পরিবর্তে, গ্রাহকরা ক্রমবর্ধমান ভয়েস-ভিত্তিক অনুসন্ধানগুলি ব্যবহার করছেন। প্রকৃতপক্ষে, ৪১% মোবাইল ব্যবহারকারী ভয়েস অনুসন্ধান ব্যবহার করেছেন। এটা অনেক সুবিধাজনক সিরি বা গুগল কে দিয়ে ভয়েসের মাধ্যমে স্থানীয় কোনো বাসা সার্চ করা। মোবাইল কীওয়ার্ড অপটিমাইজেশ এর সাথে , আপনি ভয়েস সার্চ -ফ্রেন্ডলি কীওয়ার্ড গুলিতে ফোকাস করতে চাইবেন। গ্রাহকরা আরও ভয়েস অ্যাক্টিভেটেড প্রযুক্তি গ্রহণ করলে,
আপনার ওয়েবসাইটের বিষয়বস্তুও ধরে রাখতে হবে সেই ভাবে। আপনার ওয়েবসাইটকে আরও ভয়েস সার্চ ফ্রেন্ডলি করে তুলতে:
**কোনভার্সেশনাল সার্চ ক্যোয়ারী ব্যবহার করে অপ্টিমাইজ করুন
**আপনার বিষয়বস্তুর প্রশ্নের উত্তর দিন
**কাঠামোগত ডেটা মার্কআপ ব্যবহার করুন
**একটি FAQs পেইজে তৈরি করুন
ভয়েস অনুসন্ধান দিন দিন বাড়তে থাকবে, তাই আপনার ব্যবসায় প্রতিযোগীদের চেয়ে এগিয়ে থাকার জন্য ভয়েস অনুসন্ধান অপ্টিমাইজেশনের কোনো বিকল্প নাই।

৭. ফাস্টার মোবাইল পেইজ ব্যবহার করতে হবে:

গুগলের এক্সিলারেটেড মোবাইল পেইজ গুলি (এএমপি) একটি নতুন উদ্যোগ যা দ্রুত মোবাইল পৃষ্ঠা গুলো খুলতে সহায়তা করে। ।
এই পেইজ গুলি কোনও সাধারণ HTML ওয়েব পেইজের চেয়ে আলাদা মনে হয় না। সবচেয়ে বড় পার্থক্য হ’ল এগুলো অস্বাভাবিক দ্রুত লোড হয় ।
দ্রুত পেইজ গুলি সহ ব্যবহারকারীদের জন্য অনেক ভাল ব্রাউজিংয়ের অভিজ্ঞতা আনে।
এএমপি ব্যবহার করে ডিজাইন করা পৃষ্ঠাগুলি ক্লায়েন্ট-সাইড স্ক্রিপ্টিংয়ের সহজতর ফর্মগুলি অন্তর্ভুক্ত করে।
এর অর্থ আপনি এখনও আপনার সাইটে এইচটিএমএল, সিএসএস এবং জাভাস্ক্রিপ্ট ব্যবহার করতে পারেন তবে আপনি এর পরিবর্তে এএমপি সংস্করণও ব্যবহার করতে পারবেন।
এই স্ক্রিপ্ট লাইব্রেরি গুলি সুক্ষ করে দেওয়া হয় এবং স্ট্যান্ডার্ড লাইব্রেরির তুলনায় অনেক দ্রুত লোড করা হয়।
গতি যুক্ত করার জন্য, পৃষ্ঠাগুলি ক্লাউডে ক্যাশে করা হয়। স্ক্রিপ্ট এবং ক্যাশেরর কৌশলগুলি সম্মিলিত ভাবে দ্বিতীয় পৃষ্ঠার লোডের সময়ে কাজ করে।
এ এম পি ব্যবহারের অন্য উপকারিতা গুলো হলো এটি সার্চ ইঞ্জিন রেঙ্কিং ও দৃশমানতা বাড়ায়। যদিও এই উদ্যোগটি এখনও বিকশিত হচ্ছে, এটি থেকে উপকারিতা নেওয়ার সবচেয়ে ভাল সময় এখন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *